Headline :
ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন: ১৮৫ কেন্দ্রের ১১৫টিই ঝুঁকিপূর্ণ মিরপুর টেস্টের প্রথম দিনে সেঞ্চুরি থেকে এক রান পিছিয়ে সাদমান যেখানেই অবৈধ স্থাপনা সেখানেই অভিযান: ডিএনসিসি প্রশাসক ভোজ্য তেলের দাম লিটারে আরও ১৪ টাকা বাড়ানোর প্রস্তাব কুয়েতি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে হত্যার ষড়যন্ত্র, তিনজনের মৃত্যুদণ্ড আমলাতান্ত্রিক জটিলতায় জুলাই আহতদের চিকিৎসায় যেন গাফিলতি না হয়:নাহিদ ইসলাম ইন্ডিয়া জোটের ১ নভেম্বরের সমাবেশে ককরোচ জনতা পার্টি’র সমর্থন জানুয়ারি নয়, ডিসেম্বরই নতুন পাঠ্যবই পাবে শিক্ষার্থীরা স্পেনে দ্রুতগতির দুই ট্রেনের সংঘর্ষ, নিহত অন্তত ৫০ প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরে ৪টি সমঝোতা স্মারক, দুটি অনুদান চুক্তি ও অভিপ্রায়পত্র সই

বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সর্বোচ্চ সম্মান দিতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

Reporter Name / ৩৭২ Time View
Update : মঙ্গলবার, ১৬ জুলাই, ২০২৪

স্বাধীনতা অর্জনে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের ত্যাগের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, দলমত নির্বিশেষে তাদের সব সময় সর্বোচ্চ সম্মান দিতে হবে। সবচেয়ে বড় কথা, যারা বীর মুক্তিযোদ্ধা; এটা মাথায় রাখতে হবে জাতির পিতা যে আহ্বান করেছিলেন, যার যা কিছু আছে শত্রুর মোকাবিলায় করতে হবে। নিজের জীবনের মায়া ত্যাগ করে পরিবার-সংসার, বাবা-মা সবকিছু ছেড়ে দিয়ে তারা ঝাঁপিয়ে পড়েছিল যার যা কিছু আছে তাই নিয়েই। তাদের এ আত্মত্যাগের মধ্য দিয়েই আমাদের বিজয় অর্জিত হয়েছে। কাজেই তাদের সব সময় সর্বোচ্চ সম্মান দিতে হবে।

মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ‘প্রধানমন্ত্রী ফেলোশিপ ২০২৪-২৫’ এর নির্বাচিত ফেলোদের অ্যাওয়ার্ড দেওয়া অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

শেখ হাসিনা বলেন, আমি জানি, এর অনেকেরই (মুক্তিযোদ্ধা) হয়তো আমাদের দলের সমর্থন নেই, অন্য জায়গায় চলে গেছেন বা অনেকের অনেক কিছু থাকতে পারে। যে যেখানেই যাক, সেটা আমার কাছে বিবেচ্য বিষয় নয়। আমার কাছে বিবেচ্য যে, তারা তাদের সর্বস্ব ত্যাগ করে, নিজের জীবন দিয়ে, রক্ত দিয়ে এবং অনেকেই পঙ্গুত্ব বরণ করে এ দেশকে স্বাধীন করে বিজয় এনে দিয়েছেন। শত্রুকে পরাজিত করে বিজয় এনে দিয়েছেন। কাজেই সেক্ষেত্রে আমি মনে করি, তাদের সম্মানটা সর্বোচ্চ থাকবে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, এক সময় তারা (মুক্তিযোদ্ধারা) অবহেলিত ছিল। আমি আসার পর থেকে তাদের সব ধরনের সহযোগিতা করেছি এবং গর্ব ভরে যেন তারা বলতে পারে যে আমি মুক্তিযোদ্ধা।

দেশে কেউ অবহেলিত থাকবে না মন্তব্য করে শেখ হাসিনা বলেন, জাতির পিতা চেয়েছিলেন শোষণমুক্ত সমাজ গঠন করতে। চেয়েছিলেন ক্ষুধামুক্ত, দারিদ্র্যমুক্ত সমাজ গঠন করতে। সেই কথা মাথায় রেখেই আমাদের দেশের সর্বস্তরের মানুষ; কেউ অবহেলিত থাকবে না।

তিনি আরও বলেন, আমাদের এখানে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী আছে, প্রতিবন্ধী আছে, অটিস্টিক আছে এবং তাদের সবার প্রতি যথেষ্ট সহানুভূতিশীল আমরা। তারা যেন সমাজের সব রকম সুযোগ-সুবিধা পায়, তারা যেন পিছিয়ে না পাড়ে সেদিকে আমরা বিশেষ নজর দিচ্ছি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category