ইরানে যুদ্ধ ও দেশের জ্বালানিসংকট

Reporter Name / ৪ Time View
Update : রবিবার, ২৬ এপ্রিল, ২০২৬

সব যুদ্ধ বিশ্বজুড়ে বিপর্যয় সৃষ্টি করে না। চার বছরের বেশি সময় চলছে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ। এটি আঞ্চলিক যুদ্ধ হিসেবে এখনো অব্যাহত আছে। এর কিছু প্রভাব পড়েছে ইউরোপে। ইউক্রেন ইউরোপের প্রধান খাদ্যশস্য সরবরাহকারী দেশ এবং ইউক্রেনকে ইউরোপের ‘ব্রেডবাস্কেট’ বা ‘রুটির ঝুড়ি’ হিসেবে গণ্য করা হয়। যুদ্ধ শুরুর আগপর্যন্ত ইউক্রেনের বার্ষিক খাদ্যশস্য রপ্তানির পরিমাণ ছিল ৪০ বিলিয়ন ডলারের বেশি।

বাংলাদেশও ইউক্রেন থেকে গম আমদানি করত এবং যুদ্ধ শুরুর প্রথম দিকে বাংলাদেশের একটি মালবাহী জাহাজ ‘বাংলার সমৃদ্ধি’ কৃষ্ণসাগরের অলভিয়া বন্দরে গোলা অথবা মিসাইলের আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এতে নিহত হন জাহাজের থার্ড ইঞ্জিনিয়ার। পরে জাহাজটিকে নিরাপদে বন্দর ত্যাগের অনুমতি দেওয়া হয়। ইউক্রেন যুদ্ধ এখন আর সংবাদ শিরোনাম হয় না এবং বিশ্ববাসী প্রায় ভুলেই গেছেন, ইউক্রেনে এখনো যুদ্ধ চলছে। কিন্তু ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার পর এর প্রভাব বিশ্বজুড়ে অনুভূত হচ্ছে এবং যুদ্ধ প্রলম্বিত হলে বিশ্বের জ্বালানি বাজারে যে ভয়াবহ অস্থিরতা সৃষ্টি হবে তা নিয়ে আতঙ্কে কাটাচ্ছেন বিশ্ববাসী। বাংলাদেশ ইরান যুদ্ধে ইতোমধ্যে জ্বালানি সংকটে পড়েছে।

ইরানের ওপর হামলার পর প্রায় দুই মাস অতিবাহিত হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র এ যুদ্ধকে ‘সীমিত যুদ্ধ’ মনে করলেও যুদ্ধের প্রভাব সমগ্র বিশ্বে যে জ্বালানি তেল সংকটের সৃষ্টি করেছে, তা পরিস্থিতিকে জটিল করে তুলছে। যুক্তরাষ্ট্রের ঘোষিত একতরফা যুদ্ধবিরতি এবং ইরান-যুক্তরাষ্ট্র দ্বিতীয় দফা আলোচনার সম্ভাবনার মধ্যে ইরানের ওপর নৌ-অবরোধ আরোপ করায় পরিস্থিতি অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।

বিশ্বে উদ্ভূত তেলসংকটের পরিপ্রেক্ষিতে ইরান হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার ঘোষণা দিলেও যুক্তরাষ্ট্রের নৌ-অবরোধের কারণে ইরান কিছু ব্যতিক্রম ছাড়া ২৩ এপ্রিল থেকে হরমুজ প্রণালি কার্যত বন্ধ করে দিয়েছে। ইরানি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী কয়েকটি জাহাজ আটক করার পর হরমুজ প্রণালি স্বাভাবিক নৌ-চলাচলের জন্য অসম্ভব হয়ে পড়েছে।

ইন্টারন্যাশনাল এনার্জি এজেন্সির সূত্র উদ্ধৃত করে রয়টার্স জানিয়েছে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে ২২ এপ্রিল পর্যন্ত ৩০০টির বেশি জাহাজ হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করেছে। সে হিসাবে জাহাজ চলাচল হ্রাস পেয়েছে ৯৫ শতাংশ। যে নৌপথ দিয়ে যুদ্ধের আগে দৈনিক গড়ে ১৩৮টি জাহাজ অতিক্রম করত তা থেকে নেমে এসেছে দৈনিক পাঁচ থেকে ছয়টিতে। বিশ্বের ২০ শতাংশ অপরিশোধিত তেল, এলপিজি পরিবহনের এই নৌপথে সরবরাহ প্রায় বন্ধ হয়ে যাওয়ায় এই অঞ্চলের তেলের ওপর নির্ভরশীল দেশগুলোর অবস্থা ইতোমধ্যে নাজুক হয়ে পড়েছে।

অপরিশোধিত তেলের অভাবে বিশ্বের বহু দেশের মতো সংকটে পড়েছে বাংলাদেশও। সরবরাহের অভাবে ১৪ এপ্রিল থেকে বাংলাদেশের একমাত্র তেল শোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। দেশে জ্বালানি সংকট নেই বলে সরকার দাবি করলেও সংকট যে আছে তা দৃশ্যমান। সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি করা হয়েছে। তেল সাশ্রয়ের জন্য লোডশেডিংসহ বিভিন্ন ব্যবস্থা নিয়েছে সরকার।

সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী সারা দেশের ৩৭০টি স্টোরেজে বর্তমানে জ্বালানি তেলের মজুতের পরিমাণ ২৮ লাখ ব্যারেল, যা গত বছরের চেয়ে বেশি হলেও এ পরিমাণ দ্রুত হ্রাস পাচ্ছে মজুত পূরণে আগের মতো সরবরাহ না থাকায়। ১৫ এপ্রিল সরকারের দেওয়া তথ্য অনুসারে দেশে ১ লাখ টনের বেশি ডিজেল মজুত আছে, যা ১২ থেকে ১৪ দিনের জন্য যথেষ্ট। এর মাঝেই অন্যান্য উৎস থেকে জ্বালানি তেল এসে পৌঁছবে।

অতএব জ্বালানি পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের মধ্যে থাকবে এবং দেশবাসীর উদ্বিগ্ন হওয়ার কোনো কারণ নেই। এদিকে সরকার প্রতি লিটার ডিজেলের দাম ১৫ টাকা বৃদ্ধি করায় ডিজেলের ওপর নির্ভরশীল কৃষি সেচ ও পরিবহন ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় ভোগ্যপণ্যের মূল্য হু-হু করে বাড়ছে। মধ্যপ্রাচ্য যদিও বাংলাদেশের অপরিশোধিত তেল আমদানির উৎস নয়, কিন্তু অপর দুটি উৎস মালয়েশিয়া ও সিঙ্গাপুর থেকে আমদানীকৃত অপরিশোধিত তেল দেশের জ্বালানি চাহিদা পূরণের জন্য পর্যাপ্ত নয়। তা ছাড়া ওই দুটি উৎস থেকে সহসা আমদানি বৃদ্ধি করাও সম্ভব নয়। ফলে যুদ্ধ যদি খুব শিগগির থেমেও যায়, তবু বাংলাদেশকে চলতি ধকল সামলাতে দীর্ঘ সময় লেগে যাবে এবং জ্বালানির মূল্য আরও বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

শুধু জ্বালানি তেল নয়, বসতবাড়িতে রান্নার কাজে ব্যবহৃত এলপিজি সিলিন্ডারের মূল্যও পাল্লা দিয়ে বেড়ে চলেছে। সংবাদপত্রে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধ শুরু হওয়ার চার সপ্তাহের মাথায় সাড়ে ১২ কিলোগ্রামের এলপিজি সিলিন্ডারের মূল্য ৯০০ টাকা থেকে বৃদ্ধি পেয়ে ১ হাজার ৫০০ টাকায় উঠেছে।

বাংলাদেশে একজন শ্রমিকের সর্বনিম্ন মজুরি যেখানে মাত্র সাড়ে ১২ হাজার টাকা, তার যদি এলপিজি সিলিন্ডারের মূল্য ৬০০ টাকা বেড়ে যায়, তাহলে মূল্যস্ফীতির মধ্যে তার মতো দেশের নিম্ন আয়ের একটি পরিবারের পক্ষে কীভাবে টিকে থাকা সম্ভব? বাংলাদেশের এলপিজি আমদানিকারকরা আশঙ্কা ব্যক্ত করতে শুরু করেছেন যে জাহাজ চলাচলের পথ অনিশ্চিত হয়ে পড়ায় এলপিজি পরিবহন ব্যয় প্রতি টন ১০০ ডলার থেকে ২৭৫ ডলারে উঠে গেছে। দেশের বাজারে এর অনিবার্য প্রভাব পড়বে তাতে কোনো সন্দেহ নেই। ধরেই নেওয়া যায়, যুদ্ধ পরিস্থিতি যদি বর্তমান অচলাবস্থার মধ্যেও থাকে তাহলে বাংলাদেশে এলপিজি সিলিন্ডারের মূল্য শিগগিরই আরেকবার বৃদ্ধি পাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

বাংলাদেশের এলপিজি আমদানিকারকরা অবশ্য মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো ছাড়াও বিকল্প উৎস হিসেবে ভিয়েতনাম, তাইওয়ান, মালয়েশিয়া ও চীন থেকে এলপিজি আমদানি করার উদ্যোগ গ্রহণ করতে পারে, যাতে ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক বা আঞ্চলিক সংকটের কারণে বাংলাদেশে এলপিজির মতো একটি শিল্প উপকরণের সহসা ঘাটতি না পড়ে। রান্নার কাজে এলপিজির ব্যবহার ছাড়াও পোলট্রি, গার্মেন্ট ও টেক্সটাইল শিল্প, সিরামিকস, খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ, ধাতব ও কেমিক্যাল প্রক্রিয়াজাত শিল্পে এলপিজি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।

অতএব এলপিজির সরবরাহ ঘাটতি ও বর্ধিত মূল্য বাংলাদেশের বিভিন্ন শিল্প উৎপাদন এবং বিশেষ করে শতভাগ রপ্তানিনির্ভর গার্মেন্টসশিল্প ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে উপনীত হবে। বাংলাদেশ বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম গার্মেন্ট রপ্তানিকারী দেশ। ২০২৩ সালে ইইউভুক্ত দেশ ও যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানির পরিমাণ ছিল প্রায় ৪৭ বিলিয়ন ডলার, যা দেশের রপ্তানি আয়ের ৮০ শতাংশ। ২০২৫ সালে কেবল যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানি বৃদ্ধি পায় ১২ দশমিক ৩৬ শতাংশ, ডলারে যার পরিমাণ ছিল ২ দশমিক ৬৬ বিলিয়ন ডলার। অতএব এলপিজি সরবরাহ ব্যাহত হলে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্যের উৎপাদন ও রপ্তানিতে যে দীর্ঘস্থায়ী নেতিবাচক প্রভাব পড়বে, তা ধারণা করা যায়।

বাংলাদেশ প্রতি বছর প্রায় ১২ বিলিয়ন ডলার মূল্যের অপরিশোধিত তেল, এলএনজি এবং অন্যান্য পেট্রোলিয়াম পণ্য আমদানি করে, যা দেশের রপ্তানি আয়ের ৩৭ থেকে ৪১ শতাংশ। এই ব্যয় ছিল, গত ফেব্রুয়ারি মাসের শেষ দিনে ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের আক্রমণের আগের ব্যয়, যখন ব্যারেলপ্রতি অপরিশোধিত তেলের আন্তর্জাতিক মূল্য ছিল ৭০ ডলারের নিচে। যুদ্ধ শুরুর এক সপ্তাহের মধ্যে তা বেড়ে ১১৯ ডলারে উঠে যায়।

যদিও এ মূল্যবৃদ্ধি সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্য ছিল, তা সত্ত্বেও যুক্তরাষ্ট্রে গ্রাহক পর্যায়ে জ্বালানি তেলের মূল্য, বিশেষ করে ডিজেলের মূল্য গ্যালনপ্রতি তিন ডলারের চেয়ে বেশি বেড়ে গিয়েছিল। আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের ব্যারেলপ্রতি মূল্য কমে বর্তমানে ১০৫-১০৬ ডলারে স্থির হওয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের মতো শক্তিশালী অর্থনীতির দেশে গ্রাহক পর্যায়ে মূল্য হ্রাস পেলেও বাংলাদেশের মতো দুর্বল অর্থনীতির দেশে কোনো কিছুর মূল্য একবার বেড়ে গেলে তা থেকে কমার কোনো সম্ভাবনা থাকে না। তা ছাড়া বাংলাদেশকে প্রতি বছর জ্বালানি খাতে প্রচুর ভর্তুকি দিতে হয়।

জ্বালানির বর্তমান ঘাটতির মধ্যে যখন বাংলাদেশকে অধিক মূল্যে অপরিশোধিত তেল ও অন্যান্য পেট্রোলিয়াম পণ্য আমদানি করতে হবে, তখন কেবল জ্বালানি বার্ষিক আমদানি খাতেই ব্যয় করতে হবে বর্তমান ১২ বিলিয়ন ডলার থেকে আরও অন্তত ৫০ শতাংশ বৃদ্ধি পায়, অর্থাৎ আনুমানিক সাড়ে ১৮ বিলিয়ন ডলার। খুচরা পর্যায়ে মূল্যবৃদ্ধি করেও সরকারের পক্ষে জ্বালানি আমদানি খাতের বর্ধিত মূল্যের বোঝা সামলানো সম্ভব হবে না। কারণ তৈরি পোশাক ছাড়া বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যের বৈচিত্র্য নেই। তৈরি পোশাকের প্রধান আমদানিকারক যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলো।

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধে হরমুজ প্রণালি দিয়ে জ্বালানি সরবরাহে সংকট সৃষ্টি হয়েছে, তাতে ইউরোপীয় দেশগুলোও ব্যাপক জ্বালানি ঘাটতির সম্মুখীন হয়েছে। জ্বালানি সমস্যা কাটিয়ে ওঠার জন্য ওই সব দেশকে যে বাড়তি ব্যয় করতে হবে, তাতে আগামী মাসগুলোতে ইউরোপীয় দেশগুলো তৈরি পোশাক আমদানি উল্লেখযোগ্য হ্রাস পাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। অনুরূপ পরিস্থিতিতে ইউরোপীয় বাজারে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানি আয় হ্রাস পাবে।

তা ছাড়া মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতির কারণে রেমিট্যান্স আয়েও বাংলাদেশকে বিরূপ পরিস্থিতির মুখে পড়তে হতে পারে। ২০২৫ সালে বাংলাদেশ ইইউভুক্ত দেশগুলোতে ১৯ দশমিক ৪১ বিলিয়ন পাউন্ড স্টার্লিং মূল্যের তৈরি পোশাক রপ্তানি করেছে, যা বাংলাদেশের মোট তৈরি পোশাক রপ্তানির প্রায় ৫০ শতাংশ। চীন ও ভারতের প্রতিযোগিতার কারণে ২০২৬ সালে ইইউ দেশগুলোতে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানি ৪ শতাংশ হ্রাস পাবে এমন আভাসের মধ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতি ইউরোপে পোশাক রপ্তানি বাজারকে দৃশ্যত আরও সংকুচিত করবে।

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে যদি কার্যকর যুদ্ধবিরতি না ঘটে, সে ক্ষেত্রে সমগ্র মধ্যপ্রাচ্য ও উপসাগরীয় অঞ্চলের ভূরাজনৈতিক অনিশ্চয়তায় আগামী মাসগুলোতে তেলের বাজারকে অস্থির রাখবে। যুদ্ধ দীর্ঘস্থায়ী হওয়ার আশঙ্কা বন্ধ না হলে তেলের মূল্য ক্রমেই বৃদ্ধি পেতে থাকবে, অথবা মূল্য যদি স্থিরও থাকে, তাহলে নৌপথের নিরাপত্তাহীনতার কারণে সরবরাহ ঘাটতি অব্যাহত থাকবে। যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর উভয় পক্ষের হামলার শিকার হয়েছে প্রায় ২৫টি জাহাজ। ঝুঁকি নিয়ে যারা চলাচল করবে, তাদের ইনস্যুরেন্স বেড়ে যাবে এবং তেলের মূল্যের সঙ্গে যুক্ত হবে বাড়তি ব্যয়।

সামগ্রিক জ্বালানি পরিস্থিতি বাংলাদেশের মতো দেশের জন্য কোনো শুভবার্তাবহ নয়। বাংলাদেশ যদি ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে জ্বালানি নিরাপত্তাব্যবস্থাও গড়ে তুলতে চায়, সে জন্য বাংলাদেশকে সেই সক্ষমতা অর্জনের কথা ভাবতে হবে। কারণ বাংলাদেশকে চাহিদার ৯৫ শতাংশের বেশি জ্বালানি আমদানি করতে হয়। এই নির্ভরতা কাটিয়ে ওঠার লক্ষ্যে প্রয়োজন অবিলম্বে নবায়নযোগ্য জ্বালানি অবকাঠামো তৈরি এবং বঙ্গোপসাগরে তেল-গ্যাস অনুসন্ধান ও আহরণের জন্য বাস্তবসম্মত পরিকল্পনা গ্রহণ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
deneme bonusu veren siteler - canlı bahis siteleri - casino siteleri casino siteleri deneme bonusu veren siteler canlı casino siteleri error code: 520
deneme bonusu veren siteler - canlı bahis siteleri - casino siteleri casino siteleri deneme bonusu veren siteler canlı casino siteleri error code: 520