Headline :
ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন: ১৮৫ কেন্দ্রের ১১৫টিই ঝুঁকিপূর্ণ মিরপুর টেস্টের প্রথম দিনে সেঞ্চুরি থেকে এক রান পিছিয়ে সাদমান যেখানেই অবৈধ স্থাপনা সেখানেই অভিযান: ডিএনসিসি প্রশাসক ভোজ্য তেলের দাম লিটারে আরও ১৪ টাকা বাড়ানোর প্রস্তাব কুয়েতি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে হত্যার ষড়যন্ত্র, তিনজনের মৃত্যুদণ্ড আমলাতান্ত্রিক জটিলতায় জুলাই আহতদের চিকিৎসায় যেন গাফিলতি না হয়:নাহিদ ইসলাম ইন্ডিয়া জোটের ১ নভেম্বরের সমাবেশে ককরোচ জনতা পার্টি’র সমর্থন জানুয়ারি নয়, ডিসেম্বরই নতুন পাঠ্যবই পাবে শিক্ষার্থীরা স্পেনে দ্রুতগতির দুই ট্রেনের সংঘর্ষ, নিহত অন্তত ৫০ প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরে ৪টি সমঝোতা স্মারক, দুটি অনুদান চুক্তি ও অভিপ্রায়পত্র সই

ইন্ডিয়া জোটের ১ নভেম্বরের সমাবেশে ককরোচ জনতা পার্টি’র সমর্থন

Reporter Name / ৪ Time View
Update : বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬

ভারতের প্রধান বিরোধী রাজনৈতিক জোট ইন্ডিয়ার আগামী ১ নভেম্বরের মহাসমাবেশে পূর্ণ সমর্থন ঘোষণা করেছে তরুণদের নাগরিক রাজনৈতিক সংগঠন ককরোচ জনতা পার্টি (CJP)। একই সঙ্গে ভোটাধিকার রক্ষা ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের স্বার্থে ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার (CEC) জ্ঞানেশ কুমারের অবিলম্বে পদত্যাগ দাবি করেছে সংগঠনটি।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্স-এ (টুইটার) প্রকাশিত এক বিবৃতিতে ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা ও ডিজিটাল রাজনৈতিক কৌশলবিদ প্রেস বিজ্ঞপ্তিটি প্রকাশ করেন। বোস্টন বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী ও আম্বেদকরবাদী ধারণায় বিশ্বাসী এই সংগঠক জেন-জি তথা তরুণ প্রজন্মকে ভোটার অধিকার সুরক্ষায় ঐক্যবদ্ধ করার লক্ষ্যে এক্স পোস্টে “GYANU MUST GO!” এবং “Nation above all!” বার্তা যুক্ত করে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের অপসারণের জোর দাবি জানান।

বিবৃতিতে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়, গণতন্ত্রের মূল নীতি অনুযায়ী জনগণ তাদের পছন্দমতো সরকার বেছে নেবে, কিন্তু কোনো সরকার বা প্রশাসন তার সুবিধা অনুযায়ী ভোটার তালিকা নির্ধারণ করতে পারে না। নির্বাচন কমিশনের চলমান বিশেষ ভোটার তালিকা সংশোধন (SIR) প্রক্রিয়ায় লক্ষাধিক যোগ্য নাগরিককে তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে, যা নির্বাচন কমিশনের প্রাতিষ্ঠানিক স্বকীয়তা ও নিরপেক্ষতাকে মারাত্মকভাবে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে।

ভারতীয় সংবিধানের মূল কারিগর ড. বি আর আম্বেদকর এবং প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরু যে সর্বজনীন ভোটাধিকারের ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন, বর্তমান পদক্ষেপে সেই অধিকার সংকুচিত হচ্ছে বলে জেন-জি প্রতিনিধিরা ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ওই বিবৃতিতে আরও স্পষ্ট করা হয় যে, ভোটাধিকার হরণের যেকোনো অপচেষ্টার বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়া প্রতিটি সচেতন নাগরিকের নৈতিক দায়িত্ব। দেশের নির্বাচনী ব্যবস্থাকে দলীয় প্রভাবমুক্ত এবং সম্পূর্ণ স্বাধীন করার লড়াইয়ে রাজপথে সরব থাকার ঘোষণা দিয়ে “সংবিধান ও গণতন্ত্র রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ হোন, জয় ভিম, জয় হিন্দ”- এই জোরালো বার্তা ও স্লোগানের মধ্য দিয়ে তরুণদের এই প্ল্যাটফর্মের ঘোষণাটি সমাপ্ত হয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category