ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে হওয়া চুক্তি নিয়ে কাতারের প্রধানমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আবদুল রহমান আল থানি টোলিফোনে সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রিন্স ফয়সাল বিন ফারহানের সঙ্গে কথা বলেছেন। ফোনালাপে উভয় পক্ষ আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার পাশাপাশি দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক উন্নয়নে আলোচনা করেছেন।
দোহা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের পর দুই নেতা দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক এবং আঞ্চলিক ঘটনাবলী পর্যালোচনা করেছেন। শক্তি-সমৃদ্ধ এই দুটি উপসাগরীয় দেশ কয়েক মাস ধরে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সংঘাত বন্ধের জন্য একটি চুক্তির দাবি জানিয়ে আসছিল। কারণ বিভিন্ন হামলায় উপসাগরীর অঞ্চলে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
এদিকে চুক্তি অনুযায়ী পরবর্তী দফার আলোচনার জন্য যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তিকে ‘শক্তিশালী ভিত্তি’ বলে উল্লেখ করেছে কাতার। উপসাগরীয় এই দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে বলেছে, আগামীকাল শুক্রবার (১৯ জুন) সুইজারল্যান্ডে প্রত্যাশিত কারিগরি আলোচনার আগে এই চুক্তিটি ‘মার্কিন ও ইরানি পক্ষের মধ্যে আলোচনার পরবর্তী পর্যায়ে অগ্রসর হওয়ার জন্য একটি শক্তিশালী ভিত্তি স্থাপন করেছে।