ওষুধ ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে আনতে চায় সরকার

Reporter Name / ৬২ Time View
Update : রবিবার, ১৭ মে, ২০২৬

দুষ্প্রাপ্য ও দামি ওষুধ জনসাধারণের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে আনা একটি বড় চ্যালেঞ্জ হলেও এমন উদ্যোগ নিচ্ছে বিএনপি সরকার। দেশের সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে সরকারের তরফ থেকে পদক্ষেপের কথা ভাবা হচ্ছে। ইতোমধ্যেই এ-সংক্রান্ত মধ্যমেয়াদি কর্মপরিকল্পনা করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। কর্মপরিকল্পনার অংশ হিসেবে আগামী তিন বছরের মধ্যে দুষ্প্রাপ্য ও দামি ওষুধ জনসাধারণের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে আনতে চায়। একই সঙ্গে ওষুদের ন্যায্য দাম নিশ্চিত করতে চায় সরকার। মন্ত্রিপরিষদ ও প্রধানমন্ত্রী কার্যালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপির সরকার গঠনের আগেও স্বাস্থ্য খাত নিয়ে নির্বাচনি ইশতেহারে ২২ বিষয়ের মধ্যে অন্যতম ছিল এই ওষুধ ও ভ্যাকসিন সরবরাহ নেটওয়ার্কের বিষয়টি। সরকার গঠনের পর থেকে বিএনপির নির্বাচনি ইশতেহারের আলোকে একটি সংক্ষিপ্ত কর্মপরিকল্পনা করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। সব মন্ত্রণালয়ের জন্য পৃথক সংক্ষিপ্ত কর্মপরিকল্পনা মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিবের কাছে জমা দেন এ-সংক্রান্ত কমিটি। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব তা পাঠিয়েছে সরকারের কাছে। মন্ত্রিপরিষদের সেই কর্মপরিকল্পনা নথিতে দেখা গেছে স্বাস্থ্য খাত নিয়ে তিনটি ধাপে বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিতে বলা হয়েছে। এর মধ্যে কোনোটি এক বছরের মধ্যে এক বছরের মধ্যে স্বল্পমেয়াদি, এক থেকে তিন বছরের মধ্যে মধ্যমেয়াদি এবং তিন বছরের বেশি সময় লাগলে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা করা হয়েছে। ওষুধ নিয়ে মন্ত্রিপরিষদের পরিকল্পনায় বলা হয়েছে, পর্যায়ক্রমে সারা দেশে বিনামূল্যে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবার ওষুধ সরবরাহ করা হবে। ক্যানসার/স্ট্রোক/ ডায়াবেটিসের মতো ওষুধ স্বল্পমূল্যে দেয়ার চিন্তা রয়েছে। এ ছাড়া দেশি ভ্যাকটিস বিনামূল্যে দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন অ্যাসেনসিয়াল ড্রাগস কোম্পানি পুনর্গঠন এবং দেশি এপিআই উৎপাদন ও গবেষণা বিনিয়েগ করার পরিকল্পনাও করা হয়েছে। সারা দেশে প্রশিক্ষিত ফার্মাসিস্ট পরিচালিত জাতীয় ফার্মেসি নেটওয়ার্ক গঠনের পরিকল্পনা দিয়েছে। স্বাস্থ্য খাত নিয়ে মন্ত্রিপরিষদের সংক্ষিপ্ত কর্মপরিকল্পনার মধ্যে মধ্যমেয়াদি হিসেবে ই-হেলথ কার্ড চালু, স্বাস্থ্য খাতে জিডিপির ৫ শতাংশ বরাদ্দ প্রধান, জাতীয় অ্যাম্বুলেন্স পুল ও জরুরি সেবা নেটওয়ার্ক গঠনের কথা বলা হয়েছে। এ ছাড়া মন্ত্রিপরিষদের পরিকল্পনায়, প্রতিটি জেলায় আধুনিক সেকেন্ডারি স্বাস্থ্যসেবা ইউনিট প্রতিষ্ঠা, সুুলভে প্রাণঘাতী ও ব্যয়বহুল রোগের চিকিৎসার জন্য বিশেষায়িত ব্যবস্থা, মা ও শিশুর পূর্ণাঙ্গ স্বাস্থ্যসেবা, নতুন করে ১ লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের কথাও বলা হয়েছে। এ ছাড়া স্বাস্থ্য খাতে জবাবদিহি ও পেশাদার পরিবেশ নিশ্চিতে মধ্যমেয়াদি পরিকল্পনা হিসেবে একটি জাতীয় হাসপাতাল ও ক্লিনিক অ্যাক্রেডিটেশন কাউন্সিল গঠন করার পরিকল্পনার কথা বলছে মন্ত্রিপরিষদ। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সংক্ষিপ্ত কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন কমিটির একাধিক সদস্য বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, স্বাস্থ্য শিক্ষা, খাদ্যসহ আমরা সব মন্ত্রণালয়ের জন্য সংক্ষিপ্ত কর্মপরিকল্পনা করে জমা দিয়েছি। আমরা প্রয়োজনীয় এবং জরুরি বিষয় তুলে ধরেছি, বাস্তবায়নের জন্য তিন ধাপে পরিককল্পনাও দিয়েছি, সিদ্ধান্ত নেবে সরকার।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
deneme bonusu veren siteler - canlı bahis siteleri - casino siteleri casino siteleri deneme bonusu veren siteler canlı casino siteleri error code: 520
deneme bonusu veren siteler - canlı bahis siteleri - casino siteleri casino siteleri deneme bonusu veren siteler canlı casino siteleri error code: 520