Headline :
ধসে পড়া সড়ক পরিদর্শনে গিয়ে দুই কর্মকর্তাকে বরখাস্ত করলেন প্রতিমন্ত্রী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলছে রবিবার হরমুজে জাহাজ প্রতি ২০ লাখ ডলার নিচ্ছে ইরান, দাবি রিপোর্টে বাংলাদেশে সিরিজ খেলতে আসছে ভারত বিশ্ববাজারে কমলো স্বর্ণের দাম, চার মাসের মধ্যে সর্বনিম্নে ইরানের সাথে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে, নির্ধারিত হামলাও স্থগিত: ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রে ভরসা হারিয়ে ইরানের কাছেই নিরাপত্তা চাইল মার্কিন মিত্রদেশ শ্যামলীর ডক্টরস কেয়ার হাসপাতাল সিলগালা করার নির্দেশ স্বাস্থ্যমন্ত্রীর গোপন পরিকল্পনা ফাঁস: ইরানে অভ্যুত্থান ঘটাতে ব্যর্থ মোসাদ, খেপেছেন নেতানিয়াহু হঠাৎ কী হলো ট্রাম্পের, কেন বদলে গেল সুর

অনেক বড় দুর্নীতির অভিযোগই হয় না : দুদক চেয়ারম্যান

Reporter Name / ১৭০ Time View
Update : সোমবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান ড. আবদুল মোমেন বলেছেন, ‌‘ছোট ছোট দুর্নীতি হলে আমরা আগে খবর পাই। কিন্তু সমঝোতার মাধ্যমে যে দুর্নীতি হয় অর্থাৎ বড় দুর্নীতি, সেটার অভিযোগই হয় না। ঠিকাদার, দপ্তর প্রধান কিংবা সাংবাদিক তারা খবর দেন না।’

তিনি বলেন, ‘আমাদের আবেদন থাকবে, বড় দুর্নীতির নিউজ যেন বেশি বেশি সামনে আসে। দুর্নীতির খবর বেশি আসুক তাতে কোনো সমস্যা নেই। আমরা যেন দুর্নীতির খবর ধামাচাপা না দেই, না লুকাই। জেলা প্রশাসকরা আমাকে আশ্বস্ত করেছেন, তারা এটা নিয়ে কাজ করবেন।’

আজ সোমবার রাজধানীর ওসমানী মিলনায়তনে জেলা প্রশাসক সম্মেলনের বৈঠক শেষে তিনি সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন। এ সময় দুদকের কমিশনার (তদন্ত) মিঞা মুহাম্মদ আলি আকবার আজিজী, কমিশনার (অনুসন্ধান) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) হাফিজ আহ্সান ফরিদ ও সচিব খোরশেদা ইয়াসমিন উপস্থিত ছিলেন।

দুদক চেয়ারম্যান বলেন, ‘আমাদের প্রত্যেক জেলায় জেলায় কার্যালয় নেই। সেটা সত্যি। বিভিন্ন প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতির সম্মুখীন হই, সেটা কমাবো কীভাবে সেটাই বড় প্রশ্ন। আমাদের সামনে এ ধরনের সংকটের কথা এসেছে। প্রধান উপদেষ্টার গতকালের ভাষণের বড় একটা অংশ ছিল দুর্নীতি। আজকের জেলা প্রশাসক সম্মেলনে সবচেয়ে বড় বার্তা ছিল পিছনের দুর্নীতি দমনের চেয়ে, সামনে যেন দুর্নীতি না হয়, আজ সেই বার্তা দিয়েছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের লক্ষ্য বর্তমানের দুর্নীতি যেন বন্ধ করতে পারি, পুরোনোগুলোর তদন্ত ও বিচারকাজ স্বল্প সময়ের মধ্যে শেষ করতে পারি। দুদক মূলত ৯০ থেকে ৯৫ ভাগ সময় ব্যয় করে পুরোনো দুর্নীতি নিয়ে। কিন্তু প্রধান উপদেষ্টা বলেছেন, পুরোনো দুর্নীতি নিয়ে ২০ শতাংশ, বর্তমানের দুর্নীতি নিয়ে ৩০ শতাংশ এবং ভবিষ্যতের দুর্নীতি প্রতিরোধ করার জন্য ৫০ শতাংশ ব্যয় করা উচিত। আমরা এই নির্দেশনা গ্রহণ করেছি। ওই নির্দেশনা জেলা প্রশাসকদেরও দিয়েছি। কারণ জেলা প্রশাসক হচ্ছেন মাঠ পর্যায়ে প্রধান কর্মকর্তা। ঘটনা যেখানেই ঘটুক, জেলা প্রশাসকের কাছেই আগে জানতে চাওয়া হয়। আবার দুর্নীতির প্রসঙ্গ এলে জেলা প্রশাসককেই জবাবদিহি করতে হয়।’


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
deneme bonusu veren siteler - canlı bahis siteleri - casino siteleri casino siteleri deneme bonusu veren siteler canlı casino siteleri error code: 520
deneme bonusu veren siteler - canlı bahis siteleri - casino siteleri casino siteleri deneme bonusu veren siteler canlı casino siteleri error code: 520