Headline :
ভারতের বিপক্ষে খেলতে পাকিস্তানকে অনুরোধ বিসিবি সভাপতির দ্বৈত নাগরিকত্বের অভিযোগে নাহিদ ইসলামের প্রার্থিতা বাতিল চেয়ে রিট ক্ষমতায় আসলে মামুনুল হককে মন্ত্রী করার ঘোষণা জামায়াত আমিরের বিএনপির বিজয় এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র: দুলু ভোট দেওয়ার গোপন কক্ষের ছবি তোলা যাবে না: ইসি সচিব কারাগারের জন্য ১৩ হাজার ধর্মীয় বই দিলেন ধর্ম উপদেষ্টা ঢাকা-৫ আসনে ইপিজেড গড়ে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা হবে: তারেক রহমান ক্ষমতায় গেলে যথাসময়ে পে-স্কেল বাস্তবায়নের ঘোষণা তারেক রহমানের ডিপি ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে বন্দর ইজারা চুক্তি করছে না অন্তর্বর্তী সরকার: বিডা চেয়ারম্যান ভোটের দিন কেমন থাকবে আবহাওয়া, জানাল অধিদপ্তর

ঢাকা-৫ আসনে ইপিজেড গড়ে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা হবে: তারেক রহমান

Reporter Name / ১ Time View
Update : সোমবার, ৯ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

সোমবার বিকালে যাত্রাবাড়ীর শহীদ ফারুক সড়কে নির্বাচনি জনসভায় ঢাকা-৫ আসনের বিএনপি প্রার্থী নবীউল্লাহ নবীর হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে ধানের শীষ প্রতীক তুলে দেন দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান

বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, ঢাকা-৫ আসনে দ্রুত একটি রপ্তানি প্রক্রিয়াজাতকরণ অঞ্চল (ইপিজেড) গড়ে তোলা হবে। এর মাধ্যমে ব্যাপক কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে এবং এলাকার অর্থনৈতিক কাঠামোর উন্নয়ন ঘটবে।

সোমবার বিকালে ঢাকা-৫ আসনের যাত্রাবাড়ী শহীদ ফারুক রোডে নবীউল্লাহ নবীর সমর্থনে নির্বাচনি জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

বক্তব্যের শুরুতে তারেক রহমান বলেন, আজকে এত মানুষের সমাগম দেখে আমার মনে হয়েছে যে আমরা যেই মানুষটিকে- নবীউল্লাহ সাহেবকে ধানের শীষ দিয়েছি- আমরা সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছি, ইনশাআল্লাহ।

তিনি বলেন, জুলাই-আগস্ট আন্দোলনে এই যাত্রাবাড়ী-ডেমরা বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি বিশাল স্বাক্ষর বহন করছে আমাদের সেই আন্দোলন সফলতায়। এই যাত্রাবাড়ী-ডেমরার মানুষ সেদিন সেই আন্দোলনকে সফল করার জন্য অন্যতম মুখ্য ভূমিকা পালন করেছিলেন। স্বৈরাচারের বিদায়ে এই এলাকার মানুষ অন্যতম মুখ্য ভূমিকা পালন করেছিলেন- তার জন্য আমি আমার অন্তরের অন্তঃস্থল থেকে এলাকাবাসীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা এবং ধন্যবাদ জানাই।

ঢাকা-৫ আসনে ইপিজেড গড়ে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা হবে: তারেক রহমান

বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, আমরা আমাদের রাজনৈতিক অধিকার বাস্তবায়ন করার পথে চলে এসেছি। ইনশাআল্লাহ ১২ তারিখে বাংলাদেশের মানুষ তাদের রাজনৈতিক অধিকার- যে ভোটের অধিকার- সেটি প্রয়োগ করতে চলেছে। কিন্তু শুধু গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ হলেই চলবে না। আমাদের এই বাংলাদেশকে গড়ে তুলতে হবে। এই যে মানুষগুলো যারা বসে আছেন, তাদের যে স্বজনরা- কারো ভাই, কারো সন্তান- এভাবে যে বিভিন্ন আপনজনদের হারিয়েছেন- সেই মানুষগুলোর একটি প্রত্যাশা ছিল। কী সেই প্রত্যাশা? সেই প্রত্যাশা ছিল- যে এই বাংলাদেশের নারীরা স্বাবলম্বী হবে। এই বাংলাদেশের মানুষ- সে নারী হোক বা পুরুষ হোক- তারা নিরাপদে রাস্তাঘাটে চলতে পারবে। ব্যবসায়ীরা নিরাপদে ব্যবসা করতে পারবে। পেশাজীবীরা নিরাপদে চাকরি-বাকরি করতে পারবে। এলাকার সন্তানেরা নিরাপদে লেখাপড়া করতে পারবে। এলাকার মানুষ- এলাকার যারা তরুণ, যারা যুবক, যারা পড়ালেখা শেষ করেছে- তাদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হবে। এলাকার মানুষ- তাদের মৌলিক স্বাস্থ্য সুবিধা পাবে- এরকম একটি প্রত্যাশিত বাংলাদেশ ছিল।

তারেক রহমান বলেন, আজ ভোট যেমন আমরা প্রয়োগ করব- একই সাথে আমাদের বাংলাদেশকে গড়তে হবে আগামী দিনের জন্য- ঠিক? তাহলে কে কে আছেন বাংলাদেশ গড়ার জন্য? দেশকে যদি গড়তে হয়- তাহলে অবশ্যই একটি পরিকল্পনা থাকতে হবে। জাতির ভাগ্য যদি পরিবর্তন করতে হয়- তাহলে অবশ্যই কর্মসূচি থাকতে হবে। দেশ এবং জাতিকে যদি সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হয়- অগ্রগতির দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হয়- তাহলে অভিজ্ঞতা থাকতে হবে একটি রাজনৈতিক দলের। ঠিক? অভিজ্ঞতা দরকার দেশ পরিচালনার জন্য। পরিকল্পনা দরকার দেশ পরিচালনার জন্য। কর্মসূচি দরকার জনগণের জন্য। এই মুহূর্তে যত রাজনৈতিক দল বাংলাদেশে আছে- একমাত্র বিএনপি সেই রাজনৈতিক দল যাদের পরিকল্পনা জনগণের সামনে আছে। যাদের কর্মসূচি আছে যে তারা কীভাবে দেশকে গড়ে তুলতে চায়- সামনের দিকে জনগণের ভাগ্য পরিবর্তন করতে চায় সামনের দিকে। আর একমাত্র বিএনপি হচ্ছে সেই দল যাদের দেশ পরিচালনার অভিজ্ঞতা আছে। আর কোনো রাজনৈতিক দলের অভিজ্ঞতা নেই দেশ পরিচালনা করার। আমরা অনেক রাজনৈতিক দলের অনেক সুন্দর সুন্দর কথা শুনি, অনেক মধুর মধুর কথা শুনি- যেগুলো শুনলে আমাদের হয়তো ভালো লাগে, আমরা জোরে জোরে হাততালি দেই। কিন্তু দেশ পরিচালনা অত সহজ ব্যাপার নয়। দেশ পরিচালনা অনেক কঠিন ব্যাপার।

তিনি বলেন, এই যে ইপিজেড-এর দাবি- এখানে নবীউল্লাহ নবী ইপিজেড-এর দাবি করেছেন। ইনশাআল্লাহ এই যে পাটকলগুলো বন্ধ হয়ে গেছে- ফলে কয়েক লাখ মানুষ বেকার হয়ে গিয়েছে। আমাদের পরিকল্পনা আছে এই জায়গাগুলোতে আমরা নতুন ইপিজেড কারখানা তৈরি করব। শীতলক্ষ্যার পাড় দিয়ে নতুন ইপিজেড হবে- যাতে করে বেকার যারা আছে, এই এলাকার মানুষ যারা আছে- তাদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হয়। এই যে ইপিজেড-এর কথা, ইপিজেড-এর যে দাবি- এই ইপিজেড বাংলাদেশে সবচেয়ে প্রথম কে করেছিলেন জানেন আপনারা? এই ইপিজেড চট্টগ্রামে প্রথম শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান গঠন করেছিলেন। সেইজন্যই আমি বলেছি- যদি কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে হয় সেটি করার অভিজ্ঞতা বিএনপির আছে। যদি ইপিজেড গঠন করতে হয়- কীভাবে ইপিজেড গঠন করতে হয় সেই অভিজ্ঞতা একমাত্র বিএনপির আছে- আর কোনো দলের নেই। যদি অন্য দলের থাকত- তাহলে তো ১৬ বছর আমরা দেখতেই পারতাম তারা ইপিজেড করত। করেছে তারা? করেনি, কারণ তাদের সে অভিজ্ঞতা নেই, তাদের করার ইচ্ছাও নেই। আর অন্য দল যারা আছে- তাদের তো কোনো রকম অভিজ্ঞতাই নেই।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
deneme bonusu veren siteler - canlı bahis siteleri - casino siteleri casino siteleri deneme bonusu veren siteler canlı casino siteleri 301 Moved Permanently

301 Moved Permanently


nginx/1.24.0 (Ubuntu)
deneme bonusu veren siteler - canlı bahis siteleri - casino siteleri casino siteleri deneme bonusu veren siteler canlı casino siteleri 301 Moved Permanently

301 Moved Permanently


nginx/1.24.0 (Ubuntu)