themesdealer
domain was triggered too early. This is usually an indicator for some code in the plugin or theme running too early. Translations should be loaded at the init
action or later. Please see Debugging in WordPress for more information. (This message was added in version 6.7.0.) in /home/notunalo/public_html/wp-includes/functions.php on line 6114ঈদের দিন যতই ঘনিয়ে আসছে সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে মাংসের দাম। চাহিদা বেশি থাকায় গরু ও মুরগির মাংসের দাম গত সপ্তাহের তুলনায় বেড়েছে। এক সপ্তাহেই ব্রয়লার মুরগির দাম কেজিপ্রতি ২০ থেকে ৩০ টাকার বেশি বেড়েছে। গরুর মাংসের দাম বেড়েছে কেজিপ্রতি ২০ থেকে ৫০ টাকা। এ ছাড়া সরবরাহ কমের অভিযোগে সবজির দামও বেড়েছে। গতকাল রাজধানীর খিলক্ষেত, জোয়ার সাহারা ও মহাখালী বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।
বাজারে ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ২২৫ থেকে ২৩০ টাকা পর্যন্ত, যা রোজার মাঝামাঝিতেও ছিল ১৯০ থেকে ২০০ টাকা পর্যন্ত। সোনালি মুরগি বিক্রি হচ্ছে ৩২০ থেকে ৩৩০ টাকা পর্যন্ত, ছিল ২৭০ থেকে ২৮০ টাকা পর্যন্ত। লাল লেয়ারও বিক্রি হচ্ছে সোনালি মুরগির দামেই। এ ছাড়াও সাদা লেয়ার বিক্রি হচ্ছে ২৮০ থেকে ৩০০ টাকা পর্যন্ত। জাতভেদে প্রতি পিস হাঁস বিক্রি হচ্ছে ৬০০-৬৫০ টাকায়। প্রতি কেজি গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৮০০ টাকায়, যা সপ্তাহখানেক আগেও ৭৫০ থেকে সর্বোচ্চ ৭৮০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। কোথাও ৮০০ টাকার বেশিতেও বিক্রি হচ্ছে। এ ছাড়া প্রতি কেজি খাসির মাংস ১ হাজার ১০০ থেকে ১ হাজার ২৫০ টাকা ও ছাগলের মাংস বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার ১০০ টাকায়।
রমজানজুড়ে স্বস্তি দিলেও ঈদের আগ মুহূর্তে এসে লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে শাক-সবজির দাম। এসব বাজারে প্রতি কেজি গ্রীষ্মকালীন সবজি বেগুন ৮০ থেকে ১২০ টাকা, করলা ৮০ থেকে ১০০ টাকা, বরবটি ১২০ টাকা, পটোল ১০০ টাকা, ধুন্দল ১২০ টাকা, চিচিঙ্গা ৮০ টাকা, মুখিকচু ১২০ টাকা, কচুর লতি ১২০ টাকা, শজনে ১৬০ টাকা, ঝিঙা ৮০ টাকা এবং কাঁচা মরিচ ৬০ থেকে ৮০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। লেবুর হালি ৫০ থেকে ৬০ টাকা, ধনে পাতা ১৪০ টাকা কেজি, কাঁচা কলা হালি বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকায়।
বাজারে তুলনামূলক মাছের চাহিদা কম থাকায় ঈদের উত্তাপ লাগেনি দামে। প্রতি কেজি পাঙাশ মাছ বিক্রি হচ্ছে ১৮০ থেকে ২০০ টাকার মধ্যে। তেলাপিয়া বিক্রি হচ্ছে ১৮০ থেকে ২২০ টাকা পর্যন্ত, সরপুঁটি বিক্রি হচ্ছে ২২০ থেকে ২৩০ টাকা কেজিতে। এ ছাড়াও চাষের কই বিক্রি হচ্ছে ২৫০ টাকা কেজিতে। প্রতি কেজি বড় আকৃতির রুই বিক্রি হচ্ছে ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা পর্যন্ত, মাঝারি আকৃতির রুই বিক্রি হচ্ছে ৩০০ টাকা কেজিতে। এ ছাড়াও কাতল বিক্রি হচ্ছে ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকায় এবং কোরাল বিক্রি হচ্ছে ৭০০ থেকে ৭৫০ টাকা। প্রতি কেজি পাবদা ৪০০ টাকা, চাষের শিং ৪৫০ টাকা, চাষের মাগুর ৫০০ টাকা ও চিংড়ি ৬৫০-৮০০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। এ ছাড়াও প্রতি কেজি ইলিশ মাছ বিক্রি হচ্ছে ৮০০-১২০০ টাকায়।