Notice: Function _load_textdomain_just_in_time was called incorrectly. Translation loading for the themesdealer domain was triggered too early. This is usually an indicator for some code in the plugin or theme running too early. Translations should be loaded at the init action or later. Please see Debugging in WordPress for more information. (This message was added in version 6.7.0.) in /home/notunalo/public_html/wp-includes/functions.php on line 6114
কার স্বার্থে সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে অপপ্রচার কার স্বার্থে সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে অপপ্রচার – notunalonews24
Headline :
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন থাইল্যান্ডের দুই মন্ত্রী ব্যাংককে অধ্যাপক ইউনূস-নরেন্দ্র মোদি বৈঠক শুক্রবার রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের যুবক নিহত গাজায় দেড় বছরে প্রায় ৪০ হাজার শিশু এতিম হয়েছে ট্রাম্পের শুল্কারোপ: ১০০ বছরে বিশ্ব বাণিজ্যে বড় পরিবর্তন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করে শুল্ক ইস্যুর সমাধান করা হবে : প্রধান উপদেষ্টা বৃহস্পতিবার থাইল্যান্ড যাচ্ছেন প্রধান উপদেষ্টা ঈদ শেষে ঢাকায় ফিরতে শুরু করেছে কর্মজীবীরা সেভেন সিস্টার্স প্রসঙ্গে যা বললেন প্রধান উপদেষ্টার হাই রিপ্রেজেন্টেটিভ হাসিনার বিরুদ্ধে গণহত্যা মামলার খসড়া তদন্ত রিপোর্ট পেয়েছে প্রসিকিউশন

কার স্বার্থে সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে অপপ্রচার

Reporter Name / ১৬ Time View
Update : বুধবার, ২৬ মার্চ, ২০২৫

বাংলাদেশ সেনাবাহিনী নিয়ে কথা বলতে গেলে আমরা সব সময়ই বলি আমাদের ‘দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনী’। এ বাহিনী আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধের ফসল। মুক্তিযুদ্ধের সময় এ বাহিনীর জন্ম। মুক্তিযুদ্ধের বিজয় অর্জন, সার্বভৌমত্ব সুরক্ষা, সব গণতান্ত্রিক আন্দোলন, আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ, আর্থসামাজিক উন্নয়ন, প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলা, মেগা প্রকল্পে অবকাঠামো উন্নয়নসহ এমন কোনো বিষয় নেই, যেখানে সেনাবাহিনী বা আমাদের সশস্ত্র বাহিনীর অবদান নেই। গত ১৬ বছরে দেশের সব প্রতিষ্ঠান এমনকি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানও ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে। আয়নাঘরের মতো একটি কলঙ্কও সেনাবাহিনীকে বহন করতে হচ্ছে। তার পরও সেনাবাহিনী আমাদের গর্ব। জুলাই বিপ্লবের পর ভারতীয় বিভিন্ন গণমাধ্যম, সমাজমাধ্যমে এ বাহিনীর বিরুদ্ধে নানা অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। প্রচার করা হচ্ছে নানা গাঁজাখুরি গালগল্প। আমাদের চৌকশ দেশরক্ষা বাহিনীর মধ্যে দ্বিধাদ্বন্দ্ব, উদ্বেগ, উৎকণ্ঠা তৈরির জন্য প্রতিবেশীরা এমনটি করছে-এটা সবাই বুঝতে পারি। কিন্তু ভারতের যে আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়ে জুলাই বিপ্লব হলো, সে বিপ্লবের বিপ্লবীরা একই অ্যাজেন্ডা নিয়ে মাঠে নেমেছেন কার স্বার্থে? আমাদের সেনাবাহিনী, আমাদের প্রতিরক্ষাব্যবস্থা দুর্বল হলে কার লাভ, কার ক্ষতি? বিপ্লবীরা দেশের গর্ব, সেনাবাহিনী দেশের অহংকার। তাহলে কেন এমন অস্বস্তিকর পরিস্থিতি তৈরি হলো? সমাজের দায়িত্বশীল প্রতিটি মানুষের অনুধাবন করা উচিত, কতদূর তিনি যাবেন, কোথায় গিয়ে থামবেন। কী করা উচিত, কী করা উচিত নয়। এ বোধ যার থাকবে না, তার পক্ষে দায়িত্বশীল নাগরিক, দায়িত্বশীল বিপ্লবী, দায়িত্বশীল নেতা হওয়া সম্ভব না।

আমাদের দেশের সবচেয়ে বড় বিপ্লব ছিল স্বাধীনতাযুদ্ধ। রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ মুক্তিযুদ্ধ সংগঠিত করলেও সেনাবাহিনীর মেজর জিয়াউর রহমানকেই স্বাধীনতার ঘোষণা দিতে হয়েছে। গণতান্ত্রিক আন্দোলনমুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্বদানকারী আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ মুজিবুর রহমান যখন পাকিস্তানে বন্দি, দলের অন্য নেতারা যখন ভারতে তখন মুক্তিযোদ্ধাদের নেতৃত্ব দেওয়ার মতো কেউ ছিলেন না। সেই ক্রান্তিলগ্নে এক মেজর জিয়ার স্বাধীনতা ঘোষণা পৃথিবীতে বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্রের জন্মের বার্তা দিয়েছিল। এ ছাড়া মুক্তিযুদ্ধের ১১টি সেক্টরের মধ্যে ১০টির কমান্ডারই ছিলেন সশস্ত্র বাহিনীর সদস্য। কোনো রাজনৈতিক নেতা কোনো সেক্টরের নেতৃত্ব দিতে পারেননি। মুক্তিযুদ্ধের চেয়ে বড় বিপ্লব বাংলাদেশে আর হয়নি। ওই বিপ্লবের পর অনেক প্রতিবিপ্লব ও ষড়যন্ত্র বাংলাদেশে সংঘটিত হয়েছে। প্রতিটি প্রতিবিপ্লব নস্যাতে সেনাবাহিনীর ইতিবাচক ভূমিকা ছিল। ১৯৭৫ সালে শেখ মুজিব হত্যার পর ক্ষমতা দখল করেন তাঁরই প্রিয়ভাজন খন্দকার মোশতাক আহমদ। তিনি ক্ষমতা দখলের পরেও অনেক প্রতিবিপ্লব হয়। একপর্যায়ে সিপাহি-জনতার অভ্যুত্থানে দেশের দায়িত্ব গ্রহণ করতে হয় স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমানকেই। তিনি সেদিন দায়িত্ব না নিলে দেশের অবস্থা কোন দিকে যেত তা সে সময় কারও পক্ষেই অনুমান করা সহজ ছিল না।

ক্ষমতা দখলের ঘটনায় সেনাবাহিনীর দুর্নামও হয়েছে। তবে এটা অস্বীকার করার কোনো সুযোগ নেই যে, রাজনৈতিক নেতৃত্বের ব্যর্থতার কারণেই সেনাবাহিনী ক্ষমতা দখল করেছে। আবার সেনাশাসককে ক্ষমতাচ্যুত করার জন্য ছাত্র-জনতার আন্দোলনে সশস্ত্র বাহিনীর সহযোগিতা করার নজিরও আমরা ১৯৯০ সালে প্রত্যক্ষ করেছি। ১৯৯০ সালে সেনাপ্রধান লে. জেনারেল নূরুদ্দীন খান যদি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের প্রতি সমর্থন প্রত্যাহার না করতেন তাহলে গণ অভ্যুত্থানে ৬ ডিসেম্বর এরশাদ সরকারের পতন না-ও হতে পারত। জুলাই বিপ্লবে জেনারেল ওয়াকার-উজ- জামান যদি শেখ হাসিনার পক্ষ ত্যাগ না করতেন, তাহলে পরিস্থিতি অন্য কোনো দিকে মোড় নিতে পারত। তিনি সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আত্মীয়, এটা তাঁর কোনো অপরাধ নয়। বরং আত্মীয় হওয়া সত্ত্বেও তিনি শেখ হাসিনার পক্ষ ত্যাগ করে পেশাদার সৈনিক হিসেবে বিপ্লবের বিজয় ত্বরান্বিত করেছেন। তাঁর বাহিনীকে তিনি বিপ্লবীদের পক্ষভুক্ত করেছেন, এটা অবশ্যই সুবিবেচনার দাবিদার। সে কারণেই জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামানও জুলাই বিপ্লবের প্রথম সারির একজন বিপ্লবী। তিনি, তাঁর বাহিনী, বিমান ও নৌবাহিনীর যেসব সদস্য বিপ্লবে অংশ নিয়েছেন তারাও বিপ্লবীর মর্যাদা পাওয়ার অধিকারী।

১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের বিপ্লব এবং ২০২৪ সালের জুলাই বিপ্লবের মধ্যে বেশ কিছু বিষয়ে মিল আছে। আর অনেক বিষয়ে অমিলও রয়েছে। ১৯৭১ সালের বিপ্লবীরা দীর্ঘদিন পাকিস্তানি শাসকদের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করে, অনেক চড়াই-উতরাই পেরিয়ে নিউক্লিয়াস গঠন, স্বাধীন দেশের পতাকা উত্তোলন, স্বাধীনতার ইশতেহার পাঠ এবং সর্বশেষ দেশবাসীকে একত্র করে সশস্ত্র যুদ্ধের মধ্য দিয়ে দেশ স্বাধীন করেন। ৩০ লাখ শহীদ, ২ লাখ মা-বোনের সম্ভ্রমের বিনিময়ে এ দেশ স্বাধীন হয়। ২০২৪ সালের জুলাই বিপ্লবীরা একটি কর্তৃত্ববাদী সরকারের বিরুদ্ধে রক্তক্ষয়ী সংগ্রাম করে দেশ ফ্যাসিস্টমুক্ত করেছেন। এ সংগ্রামে সরকারি গেজেট অনুযায়ী ৮৩৪ জন শহীদ ও কয়েক হাজার মানুষ আহত হন। এ দুই বিপ্লবের মৌলিক মিল-অমিলের বিষয়গুলো হলো, ১৯৭১ সালের বিপ্লবে স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব এবং একটি লাল-সবুজ পতাকা অর্জন করা সম্ভব হয়েছে। আর ২০২৪ সালের বিপ্লবে অর্জিত হয়েছে ফ্যাসিস্টমুক্ত বাংলাদেশ। তবে ২০২৪-এর বিপ্লব অবশ্যই দ্বিতীয় স্বাধীনতা নয়। ফ্যাসিস্টমুক্ত হওয়া আর স্বাধীনতা অর্জন এক কথা নয়। মুক্তিযুদ্ধের পর জাসদের জন্ম ও ২০২৪ সালের জুলাই বিপ্লবের পর জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-এর জন্মের অনেক মিল আছে। ১৯৭১ সালে যে স্বপ্ন নিয়ে বিপ্লবীরা মুক্তিযুদ্ধ সংঘটিত করেছিলেন, সে স্বপ্ন পূরণে প্রথম সারির কিছু বিপ্লবীর মধ্যে হতাশা তৈরি হয়েছিল। সে কারণে হতাশ বিপ্লবীদের একটি অংশ দেশ স্বাধীনের মাত্র ১০ মাসের মধ্যে অর্থাৎ ১৯৭২ সালের ৩১ অক্টোবর সমাজবিপ্লবের মাধ্যমে বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য জাসদ নামক নতুন রাজনৈতিক সংগঠনের জন্ম দেন। এ দলটির প্রতি তখনকার যুবসমাজের ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়। ২০২৪ সালের জুলাই বিপ্লবীরা বিপ্লবের সাত মাসের মাথায় মধ্যপন্থার রাজনীতির প্রতিশ্রুতি দিয়ে জাতীয় নাগরিক পার্টি নামক রাজনৈতিক দলের জন্ম দেন। এ দলটির প্রতিও তরুণ সমাজের আগ্রহ অনেক বেশি। অবশ্য এ দলটি গঠনের পেছনে বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের পৃষ্ঠপোষকতার অভিযোগ রয়েছে। জাসদের বিদ্রোহ ছিল আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে। ’২৪-এর জুলাই বিপ্লবীদের টার্গেটও ছিল আওয়ামী লীগ।


আপনার মতামত লিখুন :

Deprecated: File Theme without comments.php is deprecated since version 3.0.0 with no alternative available. Please include a comments.php template in your theme. in /home/notunalo/public_html/wp-includes/functions.php on line 6114

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
deneme bonusu veren siteler - canlı bahis siteleri - casino siteleri casino siteleri deneme bonusu veren siteler canlı casino siteleri
news news
deneme bonusu veren siteler - canlı bahis siteleri - casino siteleri casino siteleri deneme bonusu veren siteler canlı casino siteleri
news news