ইসরায়েলের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্বাভাবিক না করলে সৌদি আরবের সঙ্গে ইতিমধ্যে সই হওয়া বেসামরিক পারমাণবিক চুক্তিটি বাতিল হয়ে যাবে। বৃহস্পতিবার হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে এ কথা জানানো হয়েছে।
হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট জানান, সৌদি আরবসহ অন্যান্য দেশকে ‘আব্রাহাম অ্যাকর্ডস’-এ যুক্ত করতে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প অতীতে বারবার চাপ দিয়েছেন। গত বুধবারই পারমাণবিক চুক্তিটি সই হয়েছে। অথচ চুক্তির আগে কেন এই নতুন শর্তের কথা স্পষ্টভাবে জানানো হয়নি, তার কোনো পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা লেভিট দেননি। তিনি শুধু বলেন, আপনারা জানেন, প্রেসিডেন্টই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেন। তিনি বিভিন্ন সময়ে বিষয়টি উল্লেখও করেছেন।
ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর অনুরোধে নতুন এই শর্ত জুড়ে দেওয়া হয়েছে কি না, এমন জল্পনা নাকচ করে দেন লেভিট। তিনি বলেন, আমার জানামতে এমনটি হয়নি। এটি অনেক আগে থেকেই প্রেসিডেন্টের নিজস্ব একটি ভাবনা।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেস সেক্রেটারি জানান, সম্পর্ক স্বাভাবিক করার বিষয়ে সৌদি নেতাদের সঙ্গে ট্রাম্পের আলোচনা অব্যাহত থাকবে। তবে ট্রাম্প এই নতুন শর্ত ঘোষণার পর থেকে সৌদি ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমানের সঙ্গে তার কোনো কথা হয়নি।
উল্লেখ্য, ক্রাউন প্রিন্স আগেই স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠনের সুস্পষ্ট পথ তৈরি না হওয়া পর্যন্ত তারা ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করবেন না।
ক্যারোলিন লেভিট বলেন, প্রেসিডেন্ট মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগে এই বিবৃতি দিয়েছেন। এরপর এমবিএসের (মোহাম্মদ বিন সালমান) সঙ্গে তার কথা হয়েছে বলে আমার মনে হয় না। তবে আগের আলোচনাগুলোতেও তিনি বিষয়টি তুলেছিলেন এবং অতীতে বহুবার এ কথা বলেছেন