ঢাকার কেরানীগঞ্জের কদমতলীর আগানগর এলাকায় গ্যাসলাইটার কারখানায় আগুনের ঘটনায় মধ্যরাতে আরও একজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ নিয়ে ছয়জনের মরদেহ উদ্ধার করা হলো।
শনিবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল আলম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
ঢাকা জেলার কেরানীগঞ্জ সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. জাহাঙ্গীর আলম জানান, কেরানীগঞ্জের গ্যাসলাইটার কারখানায় আগুনের ঘটনায় উদ্ধার হওয়া দগ্ধ পাঁচ মরদেহের মধ্যে তিনজনই নারী। তাদের মধ্যে শুধু মিম আক্তার পাখি তার পরিচয় পাওয়া গেছে। তিনি দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের আলবাগিচা দেলোয়ার হোসেনের মেয়ে। মরদেহগুলো অতিরিক্ত পুড়ে যাওয়ায় প্রযুক্তির সহায়তা ছাড়া তারা নারী না পুরুষ, তা নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। পুলিশ এ নিয়ে কাজ করছে।
এ ছাড়াও শনিবার সন্ধ্যায় ঘটনাস্থল পরিদর্শনে আসেন স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। তিনি জানান, কেরানীগঞ্জ আমবাগিচা এলাকায় গ্যাসলাইটার কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নিহত ও আহতদের পরিবারের দায়িত্ব নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। নিহতদের পরিবারকে শ্রম মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে ২ লাখ টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে। পাশাপাশি আহতদের চিকিৎসার সব ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে ও তাদের পরিবারকে ১ লাখ টাকা দেওয়া হবে।
এর আগে, শনিবার দুপুর পৌনে ১টার দিকে আগুনের ঘটনা ঘটে। পরে দুপুর ২টা ৩০ মিনিটের দিকে ফায়ার সার্ভিসের ৭টি ইউনিটের চেষ্টায় কেরানীগঞ্জের গ্যাসলাইটার তৈরির টিনশেড কারখানার আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।